অদ্ভুত কিন্তু সত্য: তুর্কমেনিস্তানও কিন্তু জাতীয় দলের

Varzesh3 অনুসারে।

পটভূমি

তুর্কমেনিস্তান জাতীয় ফুটবল দল এবং গিনি বাইসাউয়ের সাথে ম্যাচ বাতিল হওয়ার ফলে বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের প্রস্তুতি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে। দুই দেশের সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা কঠিন হয়ে পড়েছে, যা দলের উন্নয়ন এবং অভিজ্ঞতা অর্জনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ

জাতীয় ফুটবল দলের জন্য বন্ধের সময়ে তুর্কমেনিস্তান এবং গিনি বাইসাউয়ের মতো দেশের সরকারগুলোর ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নের জন্য একটি বাধা হিসেবে কাজ করছে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের জাতীয় দলের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, যা তাদের র‌্যাঙ্কিং এবং অভিজ্ঞতা অর্জনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

মূল বিষয়

  • অদ্ভুত কিন্তু সত্য: তুর্কমেনিস্তানও কিন্তু জাতীয় দলের.
  • জাতীয় দলের জন্য বন্ধের সময়ে তুর্কমেনিস্তান ও গিনি বাইসাউয়ের মতো দেশের সরকারগুলো বাংলাদেশের সাথে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।.
  • عجیب اما واقعی: ترکمنستان‌ هم با تیم ملی بازی نکرد! | ورزش سه.
Image
তুর্কমেনিস্তান জাতীয় ফুটবল দলের সাথে বাংলাদেশের কোনো প্রীতি ম্যাচ না খেলার পেছনে সরকারের নির্দেশনার বিষয়টি উঠে এসেছে। ১০ অক্টোবর তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের বাংলাদেশে সফর করার কথা ছিল। ওইদিন তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের বাংলাদেশ ফুটবল দলের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল (৫ অক্টোবর) তুর্কমেনিস্তান ফুটবল ফেডারেশন জানায়, সরকার জাতীয় দলকে বিদেশ সফরে পাঠানোর অনুমতি দেয়নি। এ কারণে বাংলাদেশ সফর এবং সেখানে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সঙ্গে ম্যাচ খেলার তাদের পরিকল্পনা বাতিল করতে হয়েছে। এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের কোচ আলহুর সিয়াজভ। তিনি বলেছেন, "আমি বাংলাদেশে খেলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের সরকার এই সফর অনুমোদন করেনি। তাই আমরা ম্যাচ খেলতে পারছি না।" এদিকে, তুর্কমেনিস্তানের মতো একই রকম একটি ঘটন ঘটে গিনি বাইসাউয়ের সাথে। গিনি বাইসাউয়ের সাথে আরেকটি প্রীতি ম্যাচ ছিল বাংলাদেশের যা সরকারের পক্ষ থেকে অনুমোদন না পাওয়ার কারণে বাতিল হয়ে গেছে। গিনি বাইসাউয়ের ফেডারেশন জানিয়েছে, তাদের সরকার বিদেশে কোনো দলের ম্যাচ খেলার অনুমতি দিচ্ছে না। এই দুটি দেশের সরকারের এমন সিদ্ধান্তের কারণে কি অন্য কোনো দেশের সাথে বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর জানাতে আলি খ Continue Reading অবশ্য এগিয়ে এসেছেন। তিনি বলেছেন, "আমি তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের কোচের সাথে কথা বলেছিলাম এবং তারা ১০ অক্টোবর বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু আমি জানলাম, তাদের সরকার জাতীয় দলকে বাংলাদেশে পাঠানোর অনুমতি দেয়নি। তাই তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দল এখন একটি সফর তথা বাংলাদেশে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা বাতিল করেছে। দারুণ দুঃখজনক একটি খবর। আমি তুর্কমেনিস্তান ফেডারেশনের সাথে যোগাযোগ করেছি, তারা কিন্তু আমাদের জানিয়েছে যে কোচ তাদের সরকারের কাছ থেকে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা করবেন। কিন্তু আমি নিশ্চিত না, অনুমতি যদি পাওয়া হয়ও তাহলে কি তুর্কমেনিস্তান ফেডারেশন বাংলাদেশে আসবে কিছুদিন আগে তারা জানিয়েছে যে তাদের সরকারকে জানিয়ে তারা যদি কোনো ম্যাচের জন্য যান না, যেমন তাদের ঘরোয়া লীগ শুরু হয়েছে, সেখানের ক্লাবগুলোতে খেলোয়াড়দের রাখতে হবে, সেভাবে যদি তারা ফেডারেশন তাদের সরকারকে জানায় তবে তারা সরকারের কাছে সে বিষয়টি উত্থাপন করবে যাতে অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু যদি তা না হয়, তাহলে খেলোয়াড়দের ক্লাবগুলোর স্বার্থ রক্ষা করতে হবে, তখন তারা জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ক্লাবগুলোতে রাখতে হবে। সেজন্য তারা সরকারের কাছে এমন আবেদন করবে।" আলি খির আরও বলেন, "তুর্কমেনিস্তান কিন্তু আমাদের সাথে একটি ম্যাচ খেলতে চেয়েছে, তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে তাদের সরকার কেবল বিদেশ সফরের বিষয়টি জানালে বা জানলে অনুমতি দেয়, কিন্তু অন্য কোনো দেশের সাথে ম্যাচ হলে যদি সেই ম্যাচটি ওই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে তাদের সরকার অনুমতি দেয় না। যেমন যদি তুর্কমেনিস্তান ফেডারেশন বাংলাদেশে এসে খেলতে চায়, তবে তাদের সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে। কিন্তু যদি তুর্কমেনিস্তান ফেডারেশন বলে যে তাদের খেলোয়াড়রা সকলেই ক্লাবে থাকতে হবে, তাহলে সরকারের কাছে তেমন একটি আবেদন করা হবে যাতে সরকার অনুমতি দেয়। কিন্তু সরকারের অনুমতি পেলে যদি তারা পারি না, তাহলে তাদের খেলোয়াডদের ক্লাবগুলোর কাছে রাখতে হবে। কিন্তু সরকার যদি অনুমতি দেয় যে, তাহলে কোচ ও ফেডারেশন কর্মকর্তারা খেলোয়াড়দের ওপর সরকারকে জানাবে যে, এই খেলোয়াড়রা কিন্তু বিদেশে যেতে পারবে। তখন তুর্কমেনিস্তান সরকারও জানবে যে, তাদের খেলোয়াড়রা অন্য দেশে যেতে পারবে। তখন তারা জানাবে যে, তাদের খেলোয়াড়রা অন্য দেশে গেলে তারা কিসে যাবে, তাদের ক্লাবগুলো তো তাও জানাবে। কিন্তু সে বিষয়গুলো এখনও পরিষ্কার নয়। আর তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা কি অন্য দেশে যেতে পারবে সেটা সরকারের কাছে কোন আবেদন করা হয়েছিল কি হয়েছিল, তা জানকের জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

এরপর কী হবে

এখন বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলকে নতুন প্রতিপক্ষ খুঁজতে হবে যাতে তারা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। যদি অন্য কোনো দেশের সরকারও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তাহলে বাংলাদেশে ফুটবলের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের খেলার সুযোগ আরও সংকুচিত হতে পারে।

Frequently Asked Questions

তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের বাংলাদেশ সফর কেন বাতিল হলো?

তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের বাংলাদেশ সফর বাতিল হয়েছে কারণ সরকারের নির্দেশনার কারণে তাদের বিদেশ সফরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়নি।

কোনো সরকারী কর্মকর্তা তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন?

তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের কোচ আলহুর সিয়াজভ সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এখনই কেন তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের সফর বাতিল হলো?

তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের সফর বাতিল হয়েছে কারণ ৫ অক্টোবর সরকার তাদের বিদেশ সফরের অনুমতি দেয়নি।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাথে তুর্কমেনিস্তান ম্যাচ খেলার পরিকল্পনায় কি পরিবর্তন হয়েছে?

হ্যাঁ, তুর্কমেনিস্তান জাতীয় দলের বাংলাদেশ সফর এবং ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা বাতিল হয়েছে।

গিনি বাইসাউয়ের সাথে কি একই রকম ঘটনা ঘটেছে?

হ্যাঁ, গিনি বাইসাউয়ের সাথে বাংলাদেশের প্রীতি ম্যাচও সরকারের অনুমতি না পাওয়ার কারণে বাতিল হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ