টিগ্রেসের গোলকিপারের রাগের রাত, লাল কার্ড পেলেন তিনি
খেলাধুলা অনুসারে।
পটভূমি
নাহুয়েল গুজমান, 40 বছর বয়সে, লিগ কাপে টাইগ্রেসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, তার অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা প্রদর্শন করে। যদিও তার সাম্প্রতিক ক্রিয়াকলাপ তার মেজাজ এবং টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে দলের মধ্যে তার ভূমিকার উপর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
লিগ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পুমাসের বিপক্ষে নাহুয়েল গুজমানের লাল কার্ড উচ্চ-স্টেকের ফুটবল ম্যাচে যে তীব্র চাপ এবং আবেগ তৈরি হতে পারে তা তুলে ধরে। একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় হিসেবে, তার ক্রিয়াকলাপ টাইগ্রেসের জন্য উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে, সম্ভাব্যভাবে দলের মনোবল এবং চলমান টুর্নামেন্টে পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করতে পারে।
মূল বিষয়
- টিগ্রেসের গোলকিপারের রাগের রাত, লাল কার্ড পেলেন তিনি.
- Nahuel Guzmán লাথি মেরে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছেন রেফারির দ্বারা।.
- 😱 রক্ষকের ক্রোধের রাত আছে, বিদায় করা হয়েছে, কিন্তু প্রতিস্থাপন জ্বলছে: ঘড়ি।
মেক্সিকোর লিগ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে চলতি সপ্তাহে পুমাসের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির বিরুদ্ধে সহিংস আচরণের জন্য লাল কার্ড পেয়েছেন টিগ্রেসের গোলকিপার Nahuel Guzmán।
গত মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) ম্যাচে ৪০ বছর বয়সী এই গোলকিপার রেফারি ইভান বার্টনকে লাথি মেরে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছেন।
ছোটোখাটো একটি ঘটনার পর রেফারির সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে উন্মত্ত হয়ে পড়েন গুজমান। গুজম্যানের অসন্তোষের কারণ ছিল, ৮১ মিনিটে পেনাল্টির জন্য ফাউল করাকে রেফারির পক্ষ থেকে ফাউল হিসেবেই ধরা হয়। যদিও গুজমানের দাবি ছিল, তিনি বলটি সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় তা ছোঁয়ার চেষ্টা করেন, অর্থাৎ বলের দিকে যাওয়ার ক্ষেত্রে খেলোয়াড়ের কোনো অ্যাকশন ছিল না।
এদিকে, ম্যাচের শুরুতে যখন উভয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে একটি হাড্ডাহাডি পরিস্থিতি তৈরি হয়, সে সময় কিন্তু গুজমান সেখানে ছিলেন না। তিনি ছিলেন গোলের কাছে, রেফারিকে তিনি বলেছিলেন যে ওই পরিস্থিতিতে কিন্তু অন্য দলের যে খেলোয়াড়রা আছে, তাদের মধ্যে একজন রয়েছে যিনি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে অন্যদের সাথে যোগদান করেছেন, অর্থাৎ সে খেলোয়াড়টি ছিল সাবস্টিটিউট। কিন্তু সে খেলোয়াড় সম্পর্কে গুজম্যান রেফারিকে যে তথ্য দেন, সে তথ্য দেওয়ার জন্য তিনি বলেছিলেন যে অন্য খেলোয়াড় আর মাঠে থাকতে পারবে না, অর্থাৎ তিনি কি ধরনের তথ্য রেফারিকে দিতে চেয়েছিলেন সে জন্য তিনি একজন সাবস্টিটিউটের মতন তার কাছে যেতে চান। কিন্তু টিগ্রেসের এই গোলকিপারের ওই ধরনের আচরণ রেফারির কাছে সঠিক মনে হয়নি। রেফারি তার CARD BOOK-এর দিকে তাকালেন এবং গুজমানকে হলুদ কার্ড দেখালেন। গোলকিপার তো তখন রেফারির উপর চটে গিয়ে তাকে উক্তি করে কিছু কথা বলতে লাগলেন, তখন রেফারির দিকে তিনি আঙ্গুল দেখালেন। এরপর রেফারি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তুলে নিয়ে গুজম্যানকে জানিয়ে দিলেন, আপনাকে মাঠ থেকে বেরিয়ে যেতে হবে।
এভাবে রেফারির সাথে গুজমানের আচরণ ছিল খুবই অশালীন। রেফারি রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন যে গোলকিপার মাঠে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি আরেকজন রেফারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, "তুমি তো কোনো কিছুই জানো না।" এমন অশালীন ভাষা ব্যবহার তিনি করেছেন রেফারির বিরুদ্ধে।
এভাবে লাল কার্ড পেয়ে গুজমান কিন্তু ম্যাচের মধ্যে চলে যাননি, তিনি মাঠে আরেকটি বিষয় নিয়ে তিনি অসন্তুষ্ট হয়ে যান। লাল কার্ড পাওয়ার পর যিনি গুজমানের জায়গায় গোলকিপার হিসেবে মাঠে নেমেছেন তাকে কিন্তু রেফারি বের করে মাঠের বাইরে পাঠানোর নির্দেশনা দেন। তাৎক্ষণিকভাবে বদলি হিসেবে যে গোলকিপারটি মাঠে নেমেছে, সেই গোলকিপার হচ্ছে রিচার্ড ফারине। রিচার্ড ফারিনেকে রেফারি কিন্তু বের করে মাঠের বাইরে পাঠানোর নির্দেশনা দেন একটি ডাঙা ফাউলের জন্য।
গুজমানের মতো রেফারির উপর অসন্তুষ্টি নিয়ে ফারিনেও কিন্তু মাঠে রেফারির সাথে তর্ক করতে শুরু করেন। রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি অসন্তুষ্ট হয়ে রেফারির সাথে কথা বলার জন্য তিনি খেলার মাঠের বাইরে চলে যেতে চান এমনভাবে তিনি আচরণ করলেন, যা জানায় যে, তিনি মাঠে কেন থাকবেন সেটা নিয়ে তার কোনো বিশেষ আগ্রহ নেই। আর এমন আচরণের জন্য রেফারি তাকে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন।
ফারিনের জন্য লাল কার্ড প্রদর্শনের পর টিগ্রেস ক্লাবের জন্য একটি সমস্যা তৈরি হয়। কারণ টিগ্রেসের আর কোনো গোলকিপার বেঞ্চে ছিল না। তাই টিগ্রেসকে বাধ্য হয়ে একজন খেলোয়াড়কে গোলকিপারের পজিশনে খেলাতে হয়েছে, যিনি আগে কখনোই পেশাদার ফুটবলে গোলকিপারের পজিশনে খেলেছেন। সেই খেলোয়াড়ের নাম হলো "โยশন কোরোনেল"।
যোহশন কোরোনেল যেহেতু গোলকিপারের পজিশনে আগে কখনোই খেলেননি, তার পেশাদার ক্যারিয়ারে তিনি কখনোই খেলেননি, সুতরাং গোলকিপারের পজিশনে তাকে খেলানো হয়েছে এটাই হলো প্রথমবারের মতো কোনো পেশাদার ম্যাচে গোলকিপারের পজিশনে তাকে খেলানো হয়েছে এমন একটা বিষয়। আর সুতরাং তার জন্য এটা খুবই কঠিন একটা কাজ হয়ে দাঁড়ালো। রেফারি যখন তাকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন, এই খেলোয়াড় মাঠে প্রবেশ করতে পারবে তখন টিগ্রেসের কর্মকর্তারা রেফারির কাছে জানায় যে, এই কর্মকর্তারা জানায় যে, আমরা একজন খেলোয়াড় মাঠে আনতে চাই যিনি আগে কখনোই গোলকিপারের পজিশনে খেলেননি, তিনি কিন্তু গোলকিপার হিসেবে খেলতে পারবেন কি না, রেফারি কি জানেন তার কাছে এমন কোনো তথ্য থাকা উচিত যে, তিনি কিন্তু মাঠে প্রবেশ করার জন্য ঐ খেলোয়াড়টি রেফারি কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমোদিত হয়েছে কি না এমনকি অন্যান্য দলের কর্তৃপক্ষের কাছে তা জানানো হয়েছে কি না, এমনকি রেফারির নিজের কি জানা উচিত যে, ঐ খেলোয়ারের যদি মাঠে প্রবেশ করার সময় কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, তাহলে কি তিনি মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন। এমনসব প্রশ্নের উত্তর রেফারিকে দেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু রেফারির দিকে তাকিয়ে টিগ্রেসের কর্মকর্তাদের তাই মনে হচ্ছিল যে, রেফারির কাছে এসব প্রশ্নের উত্তর থাকা উচিত।
এরপর কী হবে
তার বরখাস্তের পরে, গুজমান লিগ থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারে, যা স্থগিতাদেশের দিকে নিয়ে যেতে পারে। টাইগ্রেসকে লীগ কাপে আসন্ন ম্যাচগুলির জন্য তাদের লাইনআপ সামঞ্জস্য করতে হবে এবং দলটি তাদের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ছাড়াই তাদের প্রতিযোগিতামূলক প্রান্ত বজায় রাখতে চাইবে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
Nahuel Guzmán কেন লাল কার্ড পেলেন?
Nahuel Guzmán রেফারির বিরুদ্ধে সহিংস আচরণের জন্য লাল কার্ড পেয়েছেন।
এই ঘটনার সময় কি হয়েছিল?
Nahuel Guzmán পুমাসের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে উন্মত্ত হয়ে পড়েন এবং রেফারিকে লাথি মারেন।
কোন রেফারি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন?
রেফারি ইভান বার্টন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
গুজমানের অসন্তোষের কারণ কি ছিল?
গুজমানের অসন্তোষের কারণ ছিল ৮১ মিনিটে পেনাল্টির জন্য ফাউল করাকে রেফারির পক্ষ থেকে ফাউল হিসেবেই ধরা।
এই ঘটনার পর কি পরিবর্তন হয়েছে?
Nahuel Guzmán মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর টিগ্রেসের গোলকিপার হিসেবে তার উপস্থিতি নেই।
সম্পর্কিত নিবন্ধ
সম্পর্কিত নিবন্ধ
সম্পর্কিত নিবন্ধ
সম্পর্কিত নিবন্ধ