BBC Audio | Football Daily | World Cup: Harry Kane on Tuchel's

According to Bbc.

Background

হ্যারি কেইন বর্তমানে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক এবং টুর্নামেন্টের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে পরিচিত। তার পারফরম্যান্স এবং টিমের মধ্যে সম্পর্ক, বিশেষ করে জুড বেলিংহামের সাথে, ইংল্যান্ডের সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Why this matters

হ্যারি কেইনের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে, যা দেশের ফুটবলে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ম্যাচটি শুধু একটি খেলা নয়, বরং ইতিহাস পুনর্লিখনের সুযোগও। কেইনের গোল করার ক্ষমতা এবং টিমের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তাদের সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

Key Takeaways

  • BBC Audio | Football Daily | World Cup: Harry Kane on Tuchel's.
  • Harry Kane discusses England's upcoming World Cup semi-final against Argentina, reflecting on manager Thomas Tuchel's comments and his partnership with Jude Bellingham.
  • Harry Kane remains central to England's plans.
এলিট ফুটবলের দৃশ্যে ইংল্যান্ডের ক্যাপ্টেন হ্যারি কেইন যেভাবে নিজের অবস্থান শক্ত করে রেখেছেন, তার পেছনে রয়েছে অসাধারণ কিছু গুণ। ম্যাচের সময়ে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারা, সর্বদা সঠিক জায়গায় ঠিক সময়ে পৌঁছানো এবং গোলের জন্য দারুণ সব ইনস্টিংক্ট। কিন্তু এসবের পাশাপাশি তিনি যে একটি গুণের জন্য আলাদা, তা হলো, তিনি কখনোই নিজের বা দলের উদ্দেশ্যে কোনো বাজে মন্তব্য করেন না, বরং সর্বদা ইতিবাচক মন্তব্য করার চেষ্টা করেন। তাহলে চলুন দেখেন এই কথাগুলো যখন বলা হলো, তখন সেগুলো কেমন পরিস্থিতিতে বলা হলো। গতকাল (২৬শে জুলাই) নরওয়ের বিরুদ্ধে খেলায় ২-০ গোলের জয়ে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়। ম্যাচের পর টুটেনহ্যাম হটস্পারের কোচ টমাস টিউশেল এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ৫টি গোল নিয়ে টুর্নামেন্টে শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অবস্থান করা কেইন কিন্তু সেমিফাইনালে খেলায় তিনি নাকি বেশি আগ্রহী ছিলেন, কেন তিনি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে বেশি আগ্রহী ছিলেন, তা হলো ফাইনালের জন্য উভয় দলের মধ্যে যে ম্যাচটি হবে, সেখানে যদি কোনো পেনাল্টি শুটআউটের দরকার পড়ে, তাহলে সেই পেনাল্টি শুটআউটের জন্য তিনি প্রস্তুত থাকতে চান। এতে করে তিনি বলেন, আমি চাই হ্যারি কেইনকে যেন আমি পায়ের কাছে রাখতে পারি, অর্থাৎ তিনি যেন আমাকে শুনেন আমার নির্দেশনা অনুসারে খেলেন। এভাবে যখন টিউশেল কেইনের প্রতি তার দায়িত্বশীলতার কথা উল্লেখ করেন, তখন কি এটা দলীয় দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়, নাকি এটা ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়, সেই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের কেইনের কাছে যেতে হবে। ২৯শে জুলাই, শুক্রবার, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচের আগে কেইন বিবিসি স্পোর্টকে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, টিউশেলের মন্তব্য আমি বেশ উপভোগ করেছি এবং ড্রেসিং রুমে সেগুলো বেশ ভালোভাবে গৃহীত হয়েছে। আমি মনে করি এটা খুবই স্বাস্থ্যকর একটি বিষয়, একজন কোচ যখন আপনার জন্য এমন মন্তব্য করেন, তখন তা আপনার আত্মবিশ্বাস আরো বৃদ্ধি করে। এছাড়া আরেকটি বিষয় হল, টুটেনহ্যাম হটস্পারের ড্রেসিং রুমে কিন্তু টিউশেলের মন্তব্যকে নিয়ে হাস্যরস করা হয়েছে। কেইন বলেন, আমরা এ নিয়ে কিছুটা মজা করেছি, কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি স্বাস্থ্যকর বিষয়। এখন টিউশেলের মন্তব্যের পেছনে যে উদ্দেশ্যটা রয়েছে তা হলো, কেইন যেন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে সর্বাধিক দায়িত্বশীলতার সঙ্গে খেলেন। তো কি হ্যারি কেইন সেই দায়িত্ব পালন করতে পারবেন? এই প্রশ্নের উত্তরও আমাদের হ্যারি কেইনের কাছে যেতে হবে। তিনি বলেন, আমি সবসময়ই দায়িত্বশীলতা নিয়ে খেলতে পছন্দ করি, আমি লক্ষ্য করি দলের জন্য আমার যে দায়িত্বগুলো আছে, সেগুলো আমি যেন যথাযথভাবে পালন করতে পারি।
Image
তবে এটাই কি তার কাছে দায়িত্বশীলতা? না, দায়িত্বশীলতার সংজ্ঞা কি তা একটু বিস্তারিতভাবে যদি আমরা জানার চেষ্টা করি, তাহলে দেখা যাবে, দায়িত্বশীলতা মানে শুধু দায়িত্ব পালন করা নয়, তাতে অবশ্যই ব্যক্তিগত কোনো লক্ষ্যগুলোকে নষ্ট করা যাবে না। এখন হ্যারি কেইনের যদি ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলোর দিকে আমরা দৃষ্টি দিই, তাহলে সেখানেও আমরা পেতে দেখবো দায়িত্বশীলতারই একটি উদাহরণ। টুর্নামেন্টে এখনো পর্যন্ত ৫টি গোল করেছেন তিনি, কিন্তু он-лайн букмекерских контор он хочет আরো গোল করতে। এ কারণে তিনি একটি বিষয় খেয়াল রেখেছেন, পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে যে দল, অর্থাৎ যাদেরকে শীর্ষে যাদেরকে অনুসরণ করতে হচ্ছে, সে দলের খেলোয়াড়দের তিনি যেন কোনোভাবে ছুঁতে না পারেন, বা তাদের সাথে তিনি যেন না মিশতে পারেন। যেমন উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, গত ম্যাচে নরওয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি একটি গোল করেছেন। কিন্তু নরওয়ের খেলোয়াড়দের সাথে তিনি এখন আর মিশতে পারবেন না, কারণ নরওয়ে তো টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। এখন তাকে নজর রাখতে হবে স্পেন ও পর্তুগালের খেলোয়াড়দের ওপর। কেন? কারণ স্পেন ও পর্তুগালের বিপক্ষে আগামী ৫ আগস্ট ফাইনাল হবে। স্পেনের বিপক্ষে ৬ আগস্ট এবং পর্তুগালের বিপক্ষে ৭ আগস্ট যদি কোনো খেলোয়াড় ২টি গোল করে, তাহলে সে শীর্ষে চলে আসবে। এখন শীর্ষে রয়েছেন ব্রাজিলের রফিনহো, যিনি ৫টি গোল করেছেন। এখন রফিনহোকে হ্যারি কেইন অবশ্যই ছুঁতে পারবেন না, তাকে পাঁচ গোলের নিচে যেতে হবে। রফিনহো যদি ৬ আগস্ট বা ৭ আগস্ট কোনো ম্যাচে ৬ গোল করেন, তাহলে রফিনো ৫ গোলের নিচে চলে গেলে হ্যারি কেইনকে তখন ৬ গোল করতে হবে। কিন্তু হ্যারি কেইন তো রফিনোকে ছুঁতে পারবেন না। এটি কিন্তু দায়িত্বশীলতার একটি চমৎকার উদাহরণ যে তিনি নিজেকে দলীয় স্বার্থে গুটিয়ে রেখেছেন।

What happens next

আগামী ২৯শে জুলাই, ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে, যেখানে কেইন এবং বেলিংহামের পার্টনারশিপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। টমাস টিউশেলের মন্তব্যের প্রভাব এবং ড্রেসিং রুমের পরিবেশ ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। ফুটবলপ্রেমীরা আশা করছেন, ইংল্যান্ড এই ম্যাচে জয়লাভ করে ফাইনালে পৌঁছাবে।

Frequently Asked Questions

হ্যারি কেইন টিউশেলের মন্তব্য সম্পর্কে কী বলেছেন?

হ্যারি কেইন বলেছেন, টিউশেলের মন্তব্য তিনি বেশ উপভোগ করেছেন এবং ড্রেসিং রুমে সেগুলো ভালোভাবে গৃহীত হয়েছে।

কেন টিউশেল কেইনকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন?

টিউশেল বলেছেন, তিনি চান কেইন পেনাল্টি শুটআউটের জন্য প্রস্তুত থাকুক, যাতে ফাইনালের জন্য উভয় দলের মধ্যে ম্যাচে সঠিক নির্দেশনা দিতে পারেন।

কোন ম্যাচের পর টিউশেল কেইন সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন?

টিউশেল কেইন সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন ইংল্যান্ডের নরওয়ের বিরুদ্ধে ২-০ গোলের জয়ের পর।

কেন এখন এই মন্তব্যগুলো করা হলো?

এটি সেমিফাইনাল ম্যাচের আগে, যেখানে ইংল্যান্ডের আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে খেলার প্রস্তুতি চলছে।

কী পরিবর্তন এসেছে টুটেনহ্যাম হটস্পারের ড্রেসিং রুমে?

ড্রেসিং রুমে টিউশেলের মন্তব্যকে নিয়ে হাস্যরস করা হয়েছে, যা দলের মধ্যে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করেছে।

Related Articles

Related Articles

Related Articles