বিশ্বকাপের মঞ্চে অসাধারণ এক উন্মাদনা নিয়ে হাজির হয়েছেন দর্শকরা। বিগত ম্যাচগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে, মাঠে এবং মাঠের বাইরে দর্শকদের উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।
এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন কয়েকজন সাবেক আন্তর্জাতিক ফুটবলার। কানাডার সাবেক মিডফিল্ডার কেইলিন কাইল বলেছেন, "আমি মনে করি, এই বিশ্বকাপটা ভিন্ন। আমি যখন ২০১৫ সালে কানাডায় অনুষ্ঠিত নারী বিশ্বকাপের কথা ভাবি, তখন আমি আসলে মনে করি, আমাদের দেশের মানুষগুলো অনেক বেশি ফুটবলপ্রেমী হয়ে গেছে, বিশেষ করে পুরুষেরা। তারা এখন নারীদের খেলা নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহী, তাঁরা টিকিট কিনে ম্যাচ দেখতে আসছেন। এই বিষয়টা অত্যন্ত ইতিবাচক।"

অন্যদিকে ইংল্যান্ডের সাবেক মিডফিল্ডার মরিেস এডু জানান, "আমি মনে করি, এই বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচেই দর্শকরা আসছে এবং আসার উচিতও। কারণ এই বিশ্বকাপে খেলাগুলো হয়েছে অত্যন্ত দর্শকপ্রিয়, উত্তেজনাপূর্ণ। আমি নিশ্চিত, এই সমর্থন শুধু গ্রুপ পর্বেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, নকআউট পর্বেও আমরা এমন সমর্থন দেখতে পাবো।"
এ প্রসঙ্গে আরও একটি মন্তব্য করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কোচ বব ব্রাডলে। তিনি বলেন, "এটা সত্যি যে, এই বিশ্বকাপে দর্শকদের সমর্থন অসাধারণ। শুধু মাঠেই নয়, সোশ্যাল মিডিয়াতেও আমরা দেখছি, দর্শকরা তাদের সমর্থন জানাচ্ছেন। এবং জানিয়ে থাকবেন, দর্শকরা যে কোনো দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, আমাদের দেশ, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য যারা এখানে এসেছেন, তারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারা মাঠে এসে আমাদের খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করেন।"
সাবেক এই তিন ফুটবলার জানিয়েছেন, কাতার বিশ্বকাপের মতো আগামী ২০২৬ সালের বিশ্বকাপেরও দর্শক সমর্থন হবে চমকপ্রদ। কারণ কানাডা, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ। এই তিনটি দেশের মধ্যে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। তাই ব্রাডলি, এডু এবং কাইল মনে করেন, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে খেলাধুলার প্রতি এই আগ্রহ আরও বাড়বে, আরও বেশি দর্শক মাঠে এসে ম্যাচ উপভোগ করবেন।
