ইংল্যান্ডের আর্জেন্টিনার কাছে পরাজয় ৬০ বছরের সবচেয়ে বেদনাদায়ক কেন

According to Sports.

Background

টমাস টুখেল ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে গ্যারেথ সাউথগেটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, এবং তার অধীনে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা চলছে। সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে পরাজয় টুখেলের কৌশলগত সিদ্ধান্তের উপর প্রশ্ন তুলেছে, যা তার কোচিং ক্যারিয়ারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

Why this matters

ইংল্যান্ডের আর্জেন্টিনার কাছে সেমিফাইনালে পরাজয় ফুটবলের ইতিহাসে একটি নতুন হতাশার অধ্যায় রচনা করেছে। ১৯৬৬ সালের পর থেকে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ফাইনালে না যাওয়ার দীর্ঘ অপেক্ষা এখন ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। এই পরাজয়টি টমাস টুখেলের কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলোর উপর প্রশ্ন তুলেছে, যা ইংল্যান্ডের সমর্থকদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে।

Key Takeaways

  • ইংল্যান্ডের আর্জেন্টিনার কাছে পরাজয় ৬০ বছরের সবচেয়ে বেদনাদায়ক কেন.
  • ইংল্যান্ডের পরাজয় তাদের ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক। ট্যাকটিকস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কোচ টমাস টুখেলের।.
  • Thomas Tuchel remains central to England's plans.
Image
অ্যারিজোনা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলের পরাজয় নিয়ে The playerের ক্রীড়া সাংবাদিকতা জগতে ব্যাপক আলোড়ন পড়েছে। The Tuchelের বছরের পর বছর হতাশার রেকর্ড এখন ৬০ বছরের বেশি, কিন্তু এই পরাজয়টি কি সবচেয়ে বেদনাদায়ক? ম্যাচ শেষ হওয়ার পর The clubের খেলোয়াড়, কোচ ও সমর্থকদের মধ্যে যে হতাশা কাজ করছিল তা কিন্তু এরই ইঙ্গিত দেয়। ১৯৬৬ সালের পর The side আর কোনো বিশ্বকাপের ফাইনালে যেতে পারেনি। ১৯৬৬ সালের পর থেকে England's moveের জন্য বিশ্বকাপের প্রতিটি আসর ছিল আশা ও হতাশার মিশ্রণ। ২০১৬ সালের পর গ্যারেথ সাউথগেটের অধীনে This storyের পারফরম্যান্স ছিল আশার প্রতীক। কিন্তু টমাস টুখেলের অধীনে এই বিশ্বকাপে The developmentের পারফরম্যান্স ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সাউথগেটের মতো টুখেলও কিন্তু বড় ম্যাচগুলি জেতার ক্ষেত্রে অক্ষম। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনাল ছিল এমন একটি ম্যাচ যেখানে টুখেলকে তার কৌশল দিয়ে The playerকে জিতিয়ে আনতে হবে। কিন্তু ম্যাচে দেখা গেলো সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলের সুবাদে The Tuchel লিড পায়। কিন্তু লিড পাওয়ার পর The clubের খেলার ধরণ পুরোপুরি পাল্টে যায়। তারা রক্ষনাত্মক কৌশলে চলে যায়। এতে করে আর্জেন্টিনা চাপ বাড়াতে থাকে এবং শেষ মুহূর্তে ৮৫ ও ৯১ মিনিটে দুইটি গোল করে ম্যাচ উল্টে দেয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেন The side লিড পেয়ে রক্ষনাত্মক কৌশলে চলে গেলো? টমাস টুখেল কি সেমিফাইনালকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবছিলেন না? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চেষ্টা করেছে ইয়াহু স্পোর্টস। ৬০ বছরের হতাশার আরেকটি অধ্যায় রচনা হলো England's moveের জন্য। আর্জেন্টিনার কাছে সেমিফাইনালে পরাজয় কিন্তু খুব সহজভাবে নেয়া হবে না। কারণ This storyের জন্য এটি একটি ম্যাচ ছিল ফাইনালে ওঠার, অর্থাৎ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন একটি ম্যাচ যেখানে তারা আরেকটি সুযোগ হারালো না ওঠার। ৫ মিনিটের জন্য তারা কিন্তু নিশ্চিত করে ফেলেছিল ফাইনালে ওঠা। গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড ও ডিফেন্স ভালো খেলছিল। কিন্তু টমাস টুখেল হঠাৎ করেই রক্ষনাত্মক কৌশল গ্রহণ করেন, যা আর্জেন্টিনার জন্য সুবিধাজনক হয়ে দাঁড়ায়। ম্যাচে The developmentের একমাত্র গোলদাতা অ্যান্থনি গর্ডনকে রক্ষক ezri konsah দ্বারা পরিবর্তন করা হয় ৭৭ মিনিটে। গোল করার জন্য আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ফাউল করার উদ্দেশ্যে ড্যান বার্নকে মাঠে নামানো হয় ৯১ মিনিটে। এর ফলে আর্জেন্টিনার উপর চাপ বাড়ানোর পরিবর্তে The player পুরোপুরি রক্ষণাত্মক খেলার কৌশল গ্রহণ করে। এতে করে ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিটে তাদের পজিশন ছিল মাত্র ১২ শতাংশ। ফলস্বরূপ আর্জেন্টিনা ৮৫ ও ৯১ মিনিটে গোল করে ম্যাচ জিতে নেয়। The Tuchelের জন্য এটি একটি ভয়াবহ পরাজয়। টমাস টুখেলকে এখন কঠোর সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে। সাউথগেটের সময় বড় ম্যাচগুলোতে যে সমালোচনা হত, এখন সেগুলো টুখেলের উপরও আসছে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের কৌশল সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে টুখেলের। তিনি কি সাউথগেটের মতো রক্ষণাত্মক কৌশলেই চলে গেলেন, না কি তার পরিকল্পনা ছিল ম্যাচটি অতিক্রম করা? এসব প্রশ্নের উত্তর হয়তো সময়ই দেবে।

What happens next

এখন ইংল্যান্ডের সামনে বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দিকে নজর দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই, যেখানে তারা আবারও সাফল্যের জন্য লড়াই করবে। টমাস টুখেলকে তার কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্বিবেচনা করতে হবে, বিশেষ করে বড় ম্যাচগুলিতে। গ্যারেথ সাউথগেটের সময়ের তুলনায় টুখেলের অধীনে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্সে উন্নতি আশা করা হচ্ছে, তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য সময় লাগবে।

Frequently Asked Questions

ইংল্যান্ড কেন আর্জেন্টিনার কাছে পরাজিত হলো?

ইংল্যান্ড ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলের মাধ্যমে লিড পেলেও, তারা পরে রক্ষনাত্মক কৌশলে চলে যায়, যা আর্জেন্টিনাকে চাপ বাড়াতে সাহায্য করে এবং শেষ মুহূর্তে দুইটি গোল করে ম্যাচ উল্টে দেয়।

এই পরাজয়টি কেন ৬০ বছরের সবচেয়ে বেদনাদায়ক?

এই পরাজয়টি ইংল্যান্ডের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল ফাইনালে ওঠার, যেখানে তারা আরেকটি সুযোগ হারালো না ওঠার।

কোন খেলোয়াড়ের গোলের মাধ্যমে ইংল্যান্ড লিড নিয়েছিল?

অ্যান্থনি গর্ডন ৫৫ মিনিটে গোল করে ইংল্যান্ডকে লিড দিয়েছিলেন।

টমাস টুখেল কি সেমিফাইনালকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছিলেন?

ম্যাচের পর ইংল্যান্ডের খেলার ধরণ দেখে মনে হচ্ছে টুখেল সেমিফাইনালকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবেননি, কারণ তারা লিড পাওয়ার পর রক্ষনাত্মক কৌশলে চলে যান।

গ্যারেথ সাউথগেটের অধীনে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স কেমন ছিল?

গ্যারেথ সাউথগেটের অধীনে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স ২০১৬ সালের পর আশার প্রতীক ছিল, কিন্তু টুখেলের অধীনে এই বিশ্বকাপে তারা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

সম্পর্কিত নিবন্ধ

সম্পর্কিত নিবন্ধ

সম্পর্কিত নিবন্ধ