
কাতারের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপে ৬-০ গোলের জয়ের পর কানাডার কোচ জেসি মার্স বলেছেন, এই জয়ে তিনি খুব খুশি। তবে তিনি ইসমাইল কনে’র চোট নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন। ম্যাচের ৫১ মিনিটে কনে মাঠে পড়ে যান। তার চোটের কারণে তাকে মাঠ থেকে বের করে নিতে হয়। কোচ মার্স ম্যাচ শেষে বলেছেন, "৬-০ গোলের এই জয় অসাধারণ। কিন্তু আমরা ইসমাইল কনে’র জন্য খুব দুঃখিত। আমি মনে করি, এটা আমাদের জন্য একটি বড় ক্ষতি। তার ইনজুরি কতটা গুরুতর সেই সম্পর্কে এখনও কিছু জানি না। আশা করি, এটা গুরুতর কিছু হবে না।" কোচ জেসি মার্স ইসমাইল কনে’র খেলার প্রতি মনোযোগ ছিল অনেক বেশি। তিনি কনেকে খেলার জন্য প্রস্তুতির সময় বেশি দিতে বলেছেন। কনে এখনো ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেননি। তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে ১২০ মিনিটের একটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচে খেলেছেন ক্লাব লিলের হয়ে। কিন্তু কানাডা দলের জন্য তিনি ছিলেন অদৃশ্য। কানাডার হয়ে খেলার জন্য তিনি ক্যাম্পে যোগ না দিয়ে লিলের অনুশীলনে বেশি সময় দেন। কোচ মার্স কনে’র এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না। কনে কেন ক্যাম্পে যোগ দেননি সেই প্রশ্নের জবাব দিতে কনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, "আমি কেন ক্যাম্পে যোগ দিচ্ছি না তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন। আমি কিন্তু ১২০ মিনিট খেলে এসেছি একটি ম্যাচ। আমি চাই আমি যাতে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারি সে জন্য আমি প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে যেন আমি বেশি সময় খেলতে পারি। তাই আমি আমার ক্লাবের জন্য কিছু বেশি সময় আমি খেলতে চাই।" কোচ মার্স অবশ্য কনে’র ওই পোস্টে খুশি হননি। তিনি বলেন, "লিলের জন্য তুমি খেলবে এটা তো দারুণ কিন্তু কানাডার জন্য তুমি কেন খেলছ না? তুমি তো কানাডার খেলোয়াড়। তুমি কানাডার জন্য কেন খেলবে এটা প্রশ্ন।" এদিকে কনে’র ইনজুরি নিয়ে কানাডা দলের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ কনে যদি বিশ্বকাপের মূল আসরে খেলার সুযোগ না পান তাহলে কানাডা দলের জন্য সেটি হবে একটি বড় ধাক্কা। কনে ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে অসাধারণ ফর্মে ছিলেন। বাছাই পর্বে তিনি ৮টি গোলের পাস দিয়েছিলেন। অর্থাৎ ৮টি গোলের জন্য তিনি অ্যাসিস্ট করেছেন। যারা গোল করেছে তাদের সবাই কনে’র পাশ থেকে গোল করেছে। এদিকে কানাডা যে ৬-০ গোলের জয় পেয়েছে কাতারের বিপক্ষে তার মধ্যে ৫টি গোলের পাস দিয়েছেন কনে। এই ৬-০ গোলের জয়ে কানাডার জন্য গোল করেছেন অ্যালফনসো ডেভিস ৩টি, লিয়নেল স্টোকস ২টি এবং জনাথন ডেভিড ১টি।

